Corporate Office:
3/3/15, Fatima Manjil, Road-04, Chandmiya Housing, Mohammadpur, Dhaka-1207.
Contact:
E-mail: projonmoplus@gmail.com
Mobile: +8801765340310 (WhatsApp)
আমরা কেবল পরিকল্পনায় বিশ্বাসী নই, বরং সফল বাস্তবায়নে অভিজ্ঞ।
প্রজন্মপ্লাস লিমিটেড গত ৩ বছর ধরে তার সক্ষমতা প্রমাণ করে আজ এক নির্ভরযোগ্য অবস্থানে দাঁড়িয়েছে ।
আমাদের যাত্রার শুরুটা হয়েছিল সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য এবং কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে। বিগত ৩ বছরের সংক্ষিপ্ত চিত্র:
আমরা বর্তমানে ২০০ ডেসিমেল (প্রায় ৬ বিঘা) নিজস্ব জমিতে সফলভাবে মৎস্য খামার পরিচালনা করছি ।
এই প্রকল্পে আমাদের মোট বিনিয়োগ ছিল ১.৯০ কোটি টাকা ।
৩ বছরে ২.৪০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রয় করে আমরা ৫০ লক্ষ টাকার বেশি নিট মুনাফা অর্জন করেছি ।
আরজেএসসি (RJSC) নিবন্ধিত এই প্রতিষ্ঠানটি স্বচ্ছ ব্যবসায়িক রেকর্ডের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করেছে ।
আমরা বিশ্বাস করি, বড় কিছু করার আগে ছোট পরিসরে নিজেকে প্রমাণ করা জরুরি। আমরা সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ:
আমরা জানি কীভাবে শূন্য থেকে একটি খামার গড়ে তুলতে হয় এবং তাকে লাভজনক করতে হয় ।
বর্তমানের ৬ বিঘা জমির সফল মডেলকে ভিত্তি করে আমরা এখন নড়াইলে ৭০ বিঘা জমিতে একটি পূর্ণাঙ্গ “স্মার্ট এগ্রি-টেক ও ইকো-ট্যুরিজম” প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রস্তুত
আইওটি (IoT) মনিটরিং, হাইড্রোপনিক ফডার এবং জিরো-ওয়েস্ট সার্কুলার ইকোনমির মতো আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে আমরা আমাদের উৎপাদনকে নিয়ে যাচ্ছি এক নতুন উচ্চতায় ।
গুলশান বা বনানীতে একটি সুউচ্চ অট্টালিকার চেয়েও এখন একটি সুপরিকল্পিত এগ্রো রিসোর্টের মালিকানা থাকা অনেক বেশি আভিজাত্য এবং দূরদর্শিতার পরিচয় । চারপাশের দূষণ, অনিরাপদ খাদ্যের ঝুঁকি এবং যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি থেকে মুক্তি পেতে প্রজন্মপ্লাস লিমিটেড নড়াইলে গড়ে তুলছে প্রায় ৭0 বিঘা জমির এক সুবিশাল নিরাপদ স্বর্গরাজ্য; প্রজন্মপ্লাস এগ্রো রিসোর্ট।
মাটির শিকড়ে আধুনিক নিরাপদ জীবন
আমাদের শিকড় মাটির সাথে। প্রকৃতি রেখে আমরা ভালো থাকবো না। কোন কারণে হয়ত আমার পক্ষে সম্ভব নয় কৃষি কাজ করা কিংবা চাইলেও একার পক্ষে করা দুরূহ ব্যাপার। ফলে অনেকে মিলে আমরা গড়তে পারি আমাদের জন্য টেকসই প্রকল্প, যা হবে আমাদের নিজস্ব অ্যান্টিবায়োটিক মুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য ভাণ্ডার। যা আমরা ব্যবহার করবো আমাদের দৈনন্দিন জীবনে। আমাদের মনকে রিফ্রেশ করতে আমরা ঘুরে আসবো আমাদের নিজেদের প্রজন্মপ্লাস এগ্রো রিসোর্টে।
এখানে বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনি কেবল শরীয়াহ সম্মত মুনাফাই পাবেন না, বরং পরিবারের সাথে সময় কাটানোর জন্য পাবেন নিজস্ব ইকো-কটেজ এবং ফার্ম-টু-টেবিল রেষ্টুরেন্টের প্রাণবন্ত অভিজ্ঞতা ।
১০০% অ্যান্টিবায়োটিক-মুক্ত ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা । আইওটি এবং কিউআর ট্রেসেবিলিটির মাধ্যমে প্রতিটি পণ্যের বিশুদ্ধতা যাচাইযোগ্য করা ।
১০ বিঘা জমির ওপর প্রিমিয়াম ইকো-কটেজ ও ‘ফার্ম-টু-টেবিল’ রেষ্টুরেন্ট নির্মাণের মাধ্যমে আধুনিক পর্যটন ও গ্রামীণ জীবনের মেলবন্ধন ঘটানো ।
একটি আন্তর্জাতিক মানের কৃষি ইন্টার্ণশীপ সেন্টারের মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের আধুনিক স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলা ।
সরাসরি ১০০ জনের বেশি মানুষের স্থায়ী কর্মসংস্থান তৈরি এবং পরোক্ষভাবে ২৫০ টির বেশি স্থানীয় পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা । একইসাথে ১০ হাজার পরিবারের নিরাপদ খাদ্যের যোগান দেয়া।
আমরা খামারের বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করার একটি চক্রাকার পদ্ধতি অনুসরণ করি:
প্রক্রিয়া: প্রাণিজ বর্জ্য → বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট → বিদ্যুৎ ও গ্যাস → ভার্মিকম্পোস্ট → অর্গানিক ফার্মিং।
ফলাফল: এই মডেলের ফলে প্রকল্পের পরিচালনা ব্যয়ে ৩০-৪০% পর্যন্ত সাশ্রয় নিশ্চিত হয়।
এই মডেলটি তাদের জন্য যারা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিনিয়োগ করে নিশ্চিত মুনাফা লাভ করতে চান।
এই মডেলটি আপনাকে প্রকল্পের স্থায়ী অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে এবং দীর্ঘমেয়াদী আয়ের নিশ্চয়তা দিবে।
বিনিয়োগকারী মূলধন প্রদান করেন এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপক কোম্পানী ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও দক্ষতা প্রদান করেন, যেখানে উভয় পক্ষই প্রকৃত অংশীদার।
আপনি কেবল কাগজের শেয়ারের মালিক নন; আজীবনের মালিকানায় বিনিয়োগ করলে প্রকল্পের একটি নির্দিষ্ট অংশের জমি আপনার নামে সাফ কবলা রেজিস্ট্রেশন করে দেওয়া হবে।
আমাদের সমস্ত আর্থিক হিসাব ৩য় পক্ষের CA (Chartered Accountant) ফার্ম দ্বারা নিরীক্ষিত হয় এবং বার্ষিক প্রকৃত আয়ের ভিত্তিতে লভ্যাংশ বিতরণ করা হয়।
আপনার লভ্যাংশ আসে মৎস্য, পশুপালন, এগ্রো রিসোর্ট এবং উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়ের প্রকৃত আয় থেকে; কোনো কাল্পনিক স্কিম থেকে নয়।
শরীয়াহ অনুযায়ী বার্ষিক মুনাফা শেয়ার অনুপাতে বিতরণ করা হয় 。 ক্ষতি হলে তা মূলধনের অনুপাতে বণ্টিত হয়, কোনো নির্দিষ্ট গ্যারান্টিযুক্ত রিটার্ন নেই।
আমরা সুদ এড়াতে কোনো ব্যাংক ঋণ (Bank Loan) নিবো না; বরং ব্যাংককে যে সুদ দিতে হতো, সেই টাকা বিনিয়োগকারীদের মাঝে লভ্যাংশ হিসেবে বণ্টন করা হবে।
আমরা বিনিয়োগকারীদের সাথে শেয়ার অনুযায়ী সর্বোচ্চ লভ্যাংশ শেয়ার করবো।
একবার বিনিয়োগ করলে আজীবন হালাল মুনাফা পাওয়ার সুযোগ এবং রিসোর্টের জমির মালিকানা নিশ্চিত।
প্রকল্পের অংশীদার হিসেবে রিসোর্টে সপরিবারে অবকাশ যাপনের বিশেষ সুবিধা পাবেন।
বিনিয়োগের পর আপনি গরু, ছাগলসহ অন্যান্য কৃষি পণ্য ও রিসোর্ট সার্ভিসে ১০%-২০% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাবেন।
আমরা RJSC থেকে নিবন্ধিত (Certificate No: C-201579/2025) একটি বৈধ প্রতিষ্ঠান।
বিনিয়োগকারীরা চাইলে তাদের শেয়ার স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিক্রি বা স্থানান্তর করতে পারবেন।
প্রজন্মপ্লাস লিমিটেড নড়াইলের বালিয়াডাঙ্গায় ৬০ বিঘা জমিতে গড়ে তুলছে একটি অত্যাধুনিক ইনোভেশন টেক এগ্রি-জোন । এখানে প্রাণিসম্পদ, মৎস্য ও ফসল উৎপাদন হবে একটি সমন্বিত ও প্রযুক্তি-নির্ভর ব্যবস্থাপনায়, যা শতভাগ অ্যান্টিবায়োটিক-মুক্ত এবং অর্গানিক পদ্ধতি নিশ্চিত করে।

গবাদি পশু, উন্নত জাতের দুম্বা এবং হাঁস-মুরগির জন্য নির্ধারিত আধুনিক জোন।

আধুনিক পুকুরে মিশ্র মাছ ও পাশাপাশি 'বটম ক্লিন ড্রাম' প্রযুক্তিতে বিরল প্রজাতির মাছ চাষ করা হয় ।

বিষমুক্ত সবজি ও পশুখাদ্য উৎপাদনের জন্য নির্ধারিত এলাকা।

পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন উন্নত জাতের ফল ও ফুলের বাগান করা হবে।
পলি-নেট হাউস (Greenhouse): আধুনিক গ্রিনহাউস পদ্ধতিতে বিষমুক্ত সবজি ও ফল উৎপাদন করা হয় ।
বটম-ক্লিন ড্রাম পদ্ধতি: আধুনিক এই পদ্ধতিতে পুকুরের তলদেশ পরিষ্কার রেখে উচ্চ মূল্যের মাছ চাষ নিশ্চিত করা হয়।
অংশীদার সুবিধা: আমাদের অংশীদারগণ সারা বছর খামারে উৎপাদিত তাজা ও নিরাপদ পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে সরাসরি ঘরে বসেই সংগ্রহের সুযোগ পাবেন ।
এই প্রকল্পের মূল আয়ের উৎস হলো খামারে উৎপাদিত বিষমুক্ত গবাদি পশু, মৎস্য, দুগ্ধজাত পণ্য এবং ফ্রী রেঞ্জ হাঁস মুরগী বাজারজাতকরণ । আমাদের লক্ষ্য কেবল স্থানীয় বাজার নয়, বরং উৎপাদিত পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করে দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখা।
প্রজন্মপ্লাস এগ্রো রিসোর্ট প্রকল্পের অন্যতম আকর্ষণীয় অংশ হলো এর আন্তর্জাতিক মানের এগ্রো রিসোর্ট, যা বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে এক নতুন অধ্যায় যোগ করবে । এটি প্রকৃতি, কৃষি এবং বিনোদনের এক অপূর্ব সমন্বয়, যেখানে দর্শনার্থীরা গ্রামীণ জীবনের স্বাদ ও আধুনিক আরাম-আয়েশ একসাথে উপভোগ করতে পারবেন।
আমাদের প্রকল্পের ১০ বিঘা জমি জুড়ে গড়ে উঠা এই জোনে থাকছে সর্বাধুনিক সুযোগ-সুবিধা

প্রাকৃতিক পরিবেশে নির্মিত নান্দনিক কটেজ যা আপনাকে দেবে প্রশান্তির ছোঁয়া।

খামারের বিষমুক্ত ও টাটকা উপাদান দিয়ে তৈরি সুস্বাদু খাবার সরাসরি উপভোগের সুযোগ।

শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে সুরক্ষিত খেলার মাঠ এবং আধুনিক গেমিং জোন।

কৃষি বিষয়ে হাতে-কলমে শিক্ষা ও গবেষণার জন্য একটি আন্তর্জাতিক মানের কেন্দ্র।
এগ্রো রিসোর্ট হবে আমাদের প্রকল্পের দ্বিতীয় প্রধান আয়ের উৎস
স্থায়ী আর্থিক প্রবাহ: দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমন, রিসোর্ট ভাড়া, রেষ্টুরেন্ট এবং বিভিন্ন ইভেন্ট বা কনফারেন্স আয়োজনের মাধ্যমে এটি একটি নিয়মিত আয়ের ধারা নিশ্চিত করব।
এই প্রকল্পের অংশীদার হিসেবে আপনি কেবল আর্থিক মুনাফাই পাবেন না, বরং পাবেন আভিজাত্যের ছোঁয়া
অবকাশ যাপন: অংশীদারগণ প্রতিবছর বিনামূল্যে পরিবারসহ রিসোর্টে অবকাশ যাপনের বিশেষ সুবিধা পাবেন।
লভ্যাংশ প্রাপ্তি: রিসোর্ট এবং কৃষি খাতের আয়ের লভ্যাংশ শেয়ার অনুযায়ী বছর শেষে বুঝে পাবেন।
প্রজন্মপ্লাস এগ্রো রিসোর্ট কেবল একটি ভ্রমণের জায়গা নয়, এটি আপনার এবং আপনার পরিবারের জন্য একটি সুস্থ ও আনন্দময় আগামীর স্থায়ী ঠিকানা ।
প্রজন্মপ্লাস লিমিটেডের জিরো-ওয়েস্ট সার্কুলার ইকোনমি মডেল আমাদের প্রকল্পের একটি শক্তিশালী দিক। বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করে আমরা উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনছি এবং একই সাথে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করছি।
আমাদের এই সম্মিলিত উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো—প্রকল্পের পরিচালনা ব্যয় সর্বোচ্চ পরিমাণে কমিয়ে আনা এবং পরিবেশ রক্ষা করে মানুষের জন্য সম্পূর্ণ বিষমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা।
আমাদের উদ্ভাবনী পদক্ষেপগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
আমরা প্রতিদিনের প্রায় ১০ টন খামারের বর্জ্যকে কম্পোস্ট, বায়োগ্যাস ও অন্যান্য ব্যবহারের মাধ্যমে সম্পদে রূপান্তরিত করছি, যাতে কোনো কিছুই অপচয় না হয়।
খামারের প্রাণিজ বর্জ্য ব্যবহার করে আমরা বায়োগ্যাস উৎপাদন করছি, যা রান্নার কাজে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়ে আমাদের জ্বালানি খরচ সাশ্রয় করছে।
আমরা গোবর থেকে ভার্মিকম্পোস্ট ও ট্রাইকোকম্পোস্ট তৈরি করছি, যা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং স্থানীয় কৃষকদের জন্য মানসম্মত জৈব সার হিসেবে কাজ করে।
খামারে স্থাপিত সোলার প্যানেল আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাচ্ছে, যা খরচ কমানোর পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব জ্বালানি নিশ্চিত করছে।
আমাদের নিজস্ব ফিড মিলে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদানে পশুখাদ্য তৈরির মাধ্যমে আমরা উৎপাদন খরচ সাশ্রয় করছি এবং গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগির স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও শতভাগ বিষমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করছি।
আমাদের প্রজন্মপ্লাস এগ্রো রিসোর্ট-এর জন্য নড়াইলকে বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক ও কৌশলগত কারণ। নড়াইল কেবল আমাদের প্রকল্পের স্থান নয়, এটি একটি প্রাকৃতিক আশীর্বাদপুষ্ট জনপদ।
ঢাকা থেকে মাত্র ২ ঘণ্টার যাতায়াত দূরত্বে অবস্থিত হওয়ায় শহরের ব্যস্ততা থেকে মুক্তি পেতে এবং শহরের সাথে দ্রুত পণ্য সরবরাহের সংযোগ বজায় রাখতে নড়াইল অনন্য।
চিত্রা এবং মধুমতি নদীর তীরে আমাদের এই প্রকল্প। নদীর মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ আমাদের রিসোর্টের সৌন্দর্য ও প্রশান্তিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
আমাদের প্রকল্পের জায়গাটি ভৌগোলিকভাবে উঁচু এবং বন্যা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিহীন, যা কৃষি ও পশুপালনের জন্য অত্যন্ত নিরাপদ ও টেকসই।
নড়াইলের মাটি অত্যন্ত উর্বর, যা আমাদের অর্গানিক কৃষি বিপ্লব ও ফল-ফুলের বাগানের জন্য সহায়ক। এখানে প্রতিটি মৌসুমে উচ্চমানের ফলন পাওয়া সম্ভব।
যান্ত্রিক জীবনের দূষণ থেকে দূরে, নদীমাতৃক এই জনপদের নির্মল বাতাস ও শান্ত পরিবেশ আমাদের রিসোর্টকে গড়ে তুলেছে একটি আদর্শ স্বাস্থ্যসম্মত আশ্রয়স্থলে।
লভ্যাংশ পাচ্ছি, আল-হামদুলিল্লাহ!
আন্তরিকতা ও বিশ্বস্ততায় আমি মুগ্ধ।
একমাস পরেই লভ্যাংশ পেলাম
প্রশ্নোত্তর
হ্যাঁ। সমস্ত বিনিয়োগ সাফ কাবলা নিবন্ধিত রিয়েল এস্টেট সম্পদ দ্বারা সমর্থিত এবং RJSC (রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ) এ নিবন্ধিত। যথাযথ আইনি চুক্তি দ্বারা নথিভুক্ত।
হ্যাঁ। আমাদের বিনিয়োগ মডেল শরীয়াহ নীতি অনুসারে পরিচালিত হয়। মুনাফা ভাগাভাগি হোটেলের প্রকৃত আয়ের উপর ভিত্তি করে, সুদ-ভিত্তিক নয়।
আমাদের বিভিন্ন বিনিয়োগ প্যাকেজ থেকে আপনার পছন্দের বিকল্প বেছে নিন।
